যিয়ারত-এ আশুরা

أَلسَّلاَمُ  عَلَيْكَ يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ أَلسَّلاَمُ  عَلَيْكَ يَا ابْنَ رَسُولِ اللَّهِ أَلسَّلاَمُ  عَلَيْكَ يَا ابْنَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ وَ ابْنَ سَيِّدِ الْوَصِيِّينَ أَلسَّلاَمُ  عَلَيْكَ يَا ابْنَ فَاطِمَةَ الزَّهْرَاءِ سَيِّدَةِ نِسَاءِ الْعَالَمِينَ أَلسَّلاَمُ  عَلَيْكَ يَا ثَارَ اللَّهِ وَ ابْنَ ثَارِهِ وَ الْوِتْرَ الْمَوْتُورَ أَلسَّلاَمُ  عَلَيْكَ وَ عَلَى الْأَرْوَاحِ الَّتِي حَلَّتْ بِفِنَائِكَ وَ أَنَاخَتْ بِرَحْلِكَ عَلَيْكُمْ مِنِّي جَمِيعاً سَلَامُ اللَّهِ أَبَداً مَا بَقِيتُ وَ بَقِيَ اللَّيْلُ وَ النَّهَارُ يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ لَقَدْ عَظُمَتِ الرَّزِيَّةُ وَ جَلَّتِ الْمُصِيبَةُ بِكَ عَلَيْنَا وَ عَلَى جَمِيعِ أَهْلِ الْإِسْلَامِ وَ جَلَّتْ وَ عَظُمَتْ مُصِيبَتُكَ فِي السَّمَاوَاتِ عَلَى جَمِيعِ أَهْلِ السَّمَاوَاتِ فَلَعَنَ اللَّهُ أُمَّةً أَسَّسَتْ أَسَاسَ الظُّلْمِ وَ الْجَوْرِ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الْبَيْتِ وَ لَعَنَ اللَّهُ أُمَّةً دَفَعَتْكُمْ عَنْ مَقَامِكُمْ وَ أَزَالَتْكُمْ عَنْ مَرَاتِبِكُمُ الَّتِي رَتَّبَكُمُ اللَّهُ فِيهَا وَ لَعَنَ اللَّهُ أُمَّةً قَتَلَتْكُمْ وَ لَعَنَ اللَّهُ الْمُمَهِّدِينَ لَهُمْ بِالتَّمْكِينِ مِنْ قِتَالِكُمْ بَرِئْتُ إِلَى اللَّهِ وَ إِلَيْكُمْ مِنْهُمْ وَ مِنْ أَشْيَاعِهِمْ وَ أَتْبَاعِهِمْ وَ أَوْلِيَائِهِمْ‏ يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ إِنِّي سِلْمٌ لِمَنْ سَالَمَكُمْ وَ حَرْبٌ لِمَنْ حَارَبَكُمْ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَ لَعَنَ اللَّهُ آلَ زِيَادٍ وَ آلَ مَرْوَانَ وَ لَعَنَ اللَّهُ بَنِي أُمَيَّةَ قَاطِبَةً وَ لَعَنَ اللَّهُ ابْنَ مَرْجَانَةَ وَ لَعَنَ اللَّهُ عُمَرَ بْنَ سَعْدٍ وَ لَعَنَ اللَّهُ شِمْراً وَ لَعَنَ اللَّهُ أُمَّةً أَسْرَجَتْ وَ أَلْجَمَتْ وَ تَنَقَّبَتْ وَ تَهَيَّأَتْ لِقِتَالِكَ بِأَبِي أَنْتَ وَ أُمِّي لَقَدْ عَظُمَ مُصَابِي بِكَ فَأَسْالُ اللَّهَ الَّذِي أَكْرَمَ مَقَامَكَ وَ أَكْرَمَنِي بِكَ أَنْ يَرْزُقَنِي طَلَبَ ثَارِكَ مَعَ إِمَامٍ مَنْصُورٍ مِنْ أَهْلِ بَيْتِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَ آلِهِ اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي عِنْدَكَ وَجِيهاً بِالْحُسَيْنِ عَلَيْهِ أَلسَّلاَمُ  فِي الدُّنْيَا وَ الْآخِرَةِ يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ إِنِّي أَتَقَرَّبُ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى وَ إِلَى رَسُولِهِ وَ إِلَى أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ وَ إِلَى فَاطِمَةَ وَ إِلَى الْحَسَنِ وَ إِلَيْكَ بِمُوَالاتِكَ وَ بِالْبَرَاءَةِ مِمَّنْ أَسَّسَ أَسَاسَ الظُّلْمِ وَ الْجَوْرِ عَلَيْكُمْ وَ أَبْرَأُ إِلَى اللَّهِ وَ إِلَى رَسُولِهِ مِمَّنْ أَسَّسَ أَسَاسَ ذَلِكَ وَ بَنَى عَلَيْهِ بُنْيَانَهُ وَ جَرَى‏ فِي ظُلمِهِ وَ جَوْرِهِ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الْبَيْتِ وَ عَلَى أَشْيَاعِكُمْ بَرِئْتُ إِلَى اللَّهِ وَ إِلَيْكُمْ مِنْهُمْ وَ أَتَقَرَّبُ إِلَى اللَّهِ وَ إِلَى رَسُولِهِ ثُمَّ إِلَيْكُمْ بِمُوَالاتِكُمْ وَ مُوَالاةِ وَلِيِّكُمْ وَ بِالْبَرَاءَةِ مِنْ أَعْدَائِكُمْ وَ النَّاصِبِينَ لَكُمُ الْحَرْبَ وَ بِالْبَرَاءَةِ مِنْ أَشْيَاعِهِمْ وَ أَتْبَاعِهِمْ إِنِّي سِلْمٌ لِمَنْ سَالَمَكُمْ وَ حَرْبٌ لِمَنْ حَارَبَكُمْ وَ وَلِيٌّ لِمَنْ وَالاكُمْ وَ عَدُوٌّ لِمَنْ عَادَاكُمْ فَأَسْالُ اللَّهَ الَّذِي أَكْرَمَنِي بِمَعْرِفَتِكُمْ وَ مَعْرِفَةِ أَوْلِيَائِكُمْ وَ رَزَقَنِي الْبَرَاءَةَ مِنْ أَعْدَائِكُمْ أَنْ يَجْعَلَنِي مَعَكُمْ فِي الدُّنْيَا وَ الْآخِرَةِ وَ أَنْ يُثَبِّتَ لِي عِنْدَكُمْ قَدَمَ صِدْقٍ فِي الدُّنْيَا وَ الْآخِرَةِ وَ أَسْأَلُهُ أَنْ يُبَلِّغَنِي الْمَقَامَ الْمَحْمُودَ لَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ وَ أَنْ يَرْزُقَنِي طَلَبَ ثَارِي مَعَ إِمَامٍ مَهْدِيٍّ هُدًى ظَاهِرٍ نَاطِقٍ بِالْحَقِّ مِنْكُمْ وَ أَسْأَلُ اللَّهَ بِحَقِّكُمْ وَ بِالشَّأْنِ الَّذِي لَكُمْ عِنْدَهُ أَنْ يُعْطِيَنِي بِمُصَابِي بِكُمْ أَفْضَلَ مَا يُعْطِي مُصَاباً بِمُصِيبَتِهِ مُصِيبَةً مَا أَعْظَمَهَا وَ أَعْظَمَ رَزِيَّتَهَا فِي الْإِسْلَامِ وَ فِي جَمِيعِ أَهْلِ السَّمَاوَاتِ وَ الْأَرْضِ اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي فِي مَقَامِي هَذَا مِمَّنْ تَنَالُهُ مِنْكَ صَلَوَاتٌ وَ رَحْمَةٌ وَ مَغْفِرَةٌ اللَّهُمَّ اجْعَلْ مَحْيَايَ مَحْيَا مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ وَ مَمَاتِي مَمَاتَ مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ اللَّهُمَّ إِنَّ هَذَا يَوْمٌ تَبَرَّكَتْ بِهِ بَنُو أُمَيَّةَ وَ ابْنُ آكِلَةِ الْأَكْبَادِ اللَّعِينُ ابْنُ اللَّعِينِ عَلَى لِسَانِكَ وَ لِسَانِ نَبِيِّكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَ آلِهِ فِي كُلِّ مَوْطِنٍ وَ مَوْقِفٍ وَقَفَ فِيهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَ آلِهِ اللَّهُمَّ الْعَنْ أَبَا سُفْيَانَ وَ مُعَاوِيَةَ (بْنَ أَبِي سُفْيَانَ) خ وَ يَزِيدَ بْنَ مُعَاوِيَةَ (وَ مَرْوَانَ وَ آلَ مَرْوَانَ) خ عَلَيْهِمْ مِنْكَ اللَّعْنَةُ أَبَدَ الْآبِدِينَ وَ هَذَا يَوْمٌ فَرِحَتْ بِهِ آلُ زِيَادٍ وَ آلُ مَرْوَانَ بِقَتْلِهِمُ الْحُسَيْنَ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ اللَّهُمَّ ضَاعِفْ عَلَيْهِمُ اللَّعْنَ مِنْكَ وَ الْعَذَابَ (الْأَلِيمَ) اللَّهُمَّ إِنِّي أَتَقَرَّبُ إِلَيْكَ فِي هَذَا الْيَوْمِ وَ فِي مَوْقِفِي هَذَا وَ أَيَّامِ حَيَاتِي بِالْبَرَاءَةِ مِنْهُمْ وَ اللَّعْنَةِ عَلَيْهِمْ وَ بِالْمُوَالاةِ لِنَبِيِّكَ وَ آلِ نَبِيِّكَ عَلَيْهِمُ أَلسَّلاَمُ

অর্থ: হে আবা আব্দুল্লাহ!  আপনার প্রতি সালাম, হে আল্লাহর রাসূল (সা.)’র সন্তান! আপনার প্রতি সালাম, হে আমিরুল মুমিনীনের সন্তান এবং  মুসলমানদের অভিভাবক বা ওয়াসিকুলের নেতার সন্তান! আপনার প্রতি সালাম, হে বিশ্বের নারীকুল নেত্রীর সন্তান! আপনার প্রতি সালাম, হে আল্লাহর নির্বাচিত (আল্লাহর সব কল্যাণকর সৃষ্টির মধ্যে সর্বোত্তম হিসেবে) ও নির্বাচিত ব্যক্তির সন্তান! আপনার প্রতি সালাম। আপনার প্রতি সালাম যিনি আল্লাহর খুন তথা আল্লাহর(ধর্মের) জন্য বীরত্বপূর্ণভাবে যুদ্ধ করে শহীদ বা কুরবানি হয়েছেন এবং যিনি আল্লাহর জন্য কুরবানি হওয়া ব্যক্তির সন্তান এবং আপনাকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল ও বিদ্বেষ নিয়ে আপনার ওপর হামলা করা হয়েছিল।(আপনি ঐ মহান ব্যক্তি,যার নিজের ও পিতার রক্তের প্রতিশোধ এবং আপনার প্রতি অবিচার ও জুলুমের বিচার স্বয়ং প্রভুই গ্রহণ করবেন)

আপনার প্রতি সালাম এবং তাঁদের পবিত্র আত্মার প্রতি যাঁদের আত্মা আপনার পবিত্র আস্তানায় সমবেত হয়েছে ও আপনার সহযোগী ও সহগামী হয়েছে। আপনাদের সকলের (ইমাম ও তাঁর সাথীবর্গ) উপর অনন্তকাল যাবত আমার দরুদ ও সালাম। আপনাদের উপর আল্লাহর সালাম বর্ষিত হোক যতদিন আমি আছি, ও এই বিশ্বে দিবা-নিশির আবর্তন ঘটে। (আমি আপনাদের সবার জন্য চির-প্রশান্তি ও সুখ কামনা করছি আল্লাহর কাছে। হে আবা আব্দুল্লাহ! আল্লাহর দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আপনার ওপর।

আমাদের ও প্রত্যেক খাঁটি মুসলমানের জন্য সেসব ঘটনা ছিল হৃদয়-বিদারক ও অসহনীয় যন্ত্রণাদায়ক ছিল যা আপনারা মোকাবেলা করেছেন।  আপনাদের ওপর যেসব জুলুম ও অপরাধ চালানো হয়েছে আসমানে অবস্থানকারী সকলের জন্য তা ছিল চরম বেদনাময় ও মর্মস্পর্শী । তাই আল্লাহর অভিশাপ তাদের ওপর যারা আপনাদের এবং রাসুল (সঃ) -এর আহলে বাইতের প্রতি অত্যাচারের ভিত্তি রচনা করেছে।

এ ছাড়াও আল্লাহর অভিশাপ তাদের ওপর যারা আপনাদের যথার্থ অবস্থান[খেলাফত] গ্রহণে বাধা দিয়েছিল এবং প্রভু আপনাদের যে বিশেষ পদ দান করেছিলেন তা ছিনিয়ে নিয়েছে। যারা আপনাদের শহীদ করেছে ও এ কাজে উস্কানী দিয়েছে তাদের উপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক।

হে আল্লাহ! আমি আপনার দিকে মুখ ফিরাচ্ছি এবং মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছি তাদের দিক থেকে যারা  আপনাদের হত্যায় দুর্নীতিপরায়ণ ও অত্যাচারী সরকারের প্রতি সম্মতি ও সমর্থন দিয়েছে । হে আবা আব্দুল্লাহ আমি ঐ সকল অত্যাচারী ও তাদের অনুসারী,অনুগামী ও সাথীদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করে প্রভু ও আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

হে আবা আব্দুল্লাহ! যারা আপনার সাথে বন্ধুত্ব করে আমি কেয়ামত পর্যন্ত তাদের বন্ধু আর যারা আপনার সাথে যুদ্ধে (শত্রুতা) লিপ্ত হয়,আমি কেয়ামত পর্যন্ত তাদের সাথে যুদ্ধ করি। আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক জিয়াদের ও মারওয়ান বিন হিকামের বংশধরদের উপর। আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক বনি উমাইয়াদের উপর- চরম অভিশাপ, মার্জানার পুত্রের উপর প্রভুর অভিশাপ বর্ষিত হোক। ওমর সা'দের উপর প্রভুর অভিশাপ বর্ষিত হোক। শীমার জিল জৌশানের উপর বর্ষিত হোক আল্লাহর অভিশাপ। ওদের সবার উপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক। যারা ইমাম হুসাইন (আ.) -এর সাথে যুদ্ধের জন্য ঘোড়াদের সজ্জিত করেছিল এবং আপনাদের উপর অতর্কিত আক্রমণ করেছিল। যারা আপনার সাথে যুদ্ধে অগ্রসরে প্রস্তুত হয়েছিল।

আমার বাবা মা আপনার জন্য উতসর্গীকৃত হোক, আপনার উপর আরোপিত অত্যাচার ও নৃশংসতার শোক সম্ভার আমাদের হৃদয়কে অসহনীয় বেদনাতুর ও মর্মাহত করে তুলেছে। তাই যে প্রভু আপনার অবস্থানকে উন্নত করেছেন এবং আপনার ভালবাসার মাধ্যমে আমাকে সম্মানিত করেছেন, তাঁরই কাছে প্রার্থনা করি । হে প্রভু আমাকে এমন একদিনের সৌভাগ্য দাও যেদিন মুহাম্মদ (সঃ) ও তাঁর আহলে বাইতগণ (আ.)’র সদস্য ইমাম হযরত মাহদী (আ.)-কে সহযোগিতা করে আপনার রক্তের প্রতিশোধ গ্রহণকারীদের মধ্যে অন্যতম হতে পারি।

হে প্রভু! আমাকে ইমাম হুসাইন (আ.)’র [শাফায়াত ও ভালবাসার] মাধ্যমে আপনার কাছে পরকাল ও ইহকালে সম্মানিত ও সৌভাগ্যমন্ডিত কর । হে আবা আব্দুল্লাহ! আমি প্রভুর দরবারের নৈকট্য প্রার্থনা করি,একই সাথে হযরত রাসুল (সঃ),আমিরুল মুমেনীন (আ.),ফাতেমা (সা.),হাসান (আ.) ওআপনার নৈকট্য প্রার্থনা করি। এ নৈকট্য প্রার্থনার মাধ্যম হল আপনার প্রতি ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব এবং আপনাদের আহলে বাইত (আ.)দের প্রতি অন্যায় ও অত্যাচারের ভিত্তি রচয়িতাদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন আরও ঘৃণা প্রদর্শন করি যারা তাদেরকে অনুসরণ করেছে। প্রভুর দরবারে ও আপনারা আল্লাহর প্রতিনিধি,আপনাদের কাছে ঐ অত্যাচারী ও জালিম লোকদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করেছি। প্রভুর দরবারে প্রথমে নৈকট্য প্রার্থনা করি অতঃপর আপনাদের [আল্লাহর প্রতিনিধি]। আপনার প্রতি ভালবাসা ও আপনাদের বন্ধুদের প্রতি বন্ধুত্বের মাধ্যমে, এবং আপনাদের শত্রুদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করে আর যারা আপনাদের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে, আপনাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে,একই সাথে তাঁদের অনুসারী ও অনুগামীদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করি ।

হে ইমাম যারা আপনাদের সাথে বন্ধুত্ব রাখে তারা আমার বন্ধু আর যারা আপনাদের সাথে যুদ্ধ করে তাদের সাথে আমি যুদ্ধে অবতীর্ণ হই। যারা আপনাদের সাথে বন্ধুত্ব করে আমি তাদের সাথে বন্ধুত্ব করি। আর যারা আপনাদের সাথে শত্রুতা করে আমিও তাদের সাথে শত্রুতা করি।

তাই মহান প্রভুর কাছে প্রার্থনা করি যেন আমাকে আপনাদের বন্ধুত্বে ও যথার্থ পরিচিতির মাধ্যমে ধন্য করেন। একই সাথে আপনাদের শত্রুদের প্রতি সর্বদা ঘৃণা প্রদর্শনকে আমার জীবিকায় পরিণত করে দেন। আমাদেরকে যেন দুনিয়া ও আখেরাতে আপনাদের সাহচর্য দান করেন এবং পৃথিবী ও পরকালে আপনাদের সত্য অবস্থানের পথে আমাকে সুদৃঢ় রাখেন।

পুনরায় প্রভুর কাছে আবেদন করি,আপনাদের জন্য নির্ধারিত 'মাহমুদ'অবস্থানে আমাকেও [ক্ষমতানুযায়ী] উত্তীর্ণ করেন। প্রভু যেন আমার সৌভাগ্যে রাখেন, যাতে আবির্ভাবকারী সত্যভাষী ইমাম মাহদী (আ.) -এর সাথে আপনাদের রক্তের প্রতিশোধ গ্রহণকারী হিসেবে থাকতে পারি । প্রভুর দরবারে আপনাদের যথার্থ সম্মান ও নৈকট্যশীল অবস্থানের উসিলায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি , আপনাদের অসহনীয় শোকে শোকাহত মূর্ছাহত হওয়ার সওয়াব প্রতি শোকাহতকে উত্তম সওয়াব দান করেন। আমাকেও যেন ঐ পুণ্য দান করেন।

আপনাদের (আহলে বাইত) শোক মুসলিম বিশ্বকে বরং সমগ্র বিশ্ব আসমান ও জমিনের প্রতি ছিল অসহনীয় বেদনাতুর । আর শোকাহতদের প্রতি অসহনীয়। হে প্রভু আমি এখন যে অবস্থানে আছি আমাকে তাঁদের শান্তি অনুগ্রহ, ও ক্ষমা থেকে আমাকেও পরিতৃপ্ত কর । হে প্রভু আমি এখন যে অবস্থানে আছি আমাকে তাঁদের শান্তি অনুগ্রহ,ও ক্ষমা থেকে আমাকেও পরিতৃপ্ত কর।

হে প্রভু আমাকে মুহাম্মদ(স.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইত(আ.)-এর ধর্মে জীবিত রাখ এবং ঐ আদর্শে মৃত্যুবরণ করাও ।

হে প্রভু আজকের [আশুরা] এদিন,যেদিনে উমাইয়া বংশের কলিজা ভক্ষণকারী নারীর [হিন্দা] পুত্র ও অভিশপ্ত মুয়াবিয়ার অভিশপ্ত ও অপবিত্র পুত্র ইয়াজিদকে আপনার ভাষায় এবং আপনার রাসুল (সঃ) -এর ভাষায় [অভিসম্পাত কর] আপনার রাসুল (সঃ) যে সকল স্থান ও অবস্থানে অবস্থান নিয়েছিলেন,(সকল স্থানে তাদেরকে অভিসম্পাতের মাধ্যমে স্মরণ করেছেন)।

হে প্রভু আবু সুফিয়ানের প্রতি অভিশাপ বর্ষণ কর ও তার পুত্র মু'য়াবিয়া এবং তার পুত্র ইয়াজিদ,এদের সকলের উপর অনন্ত অভিশাপ বর্ষণ কর।

আজকের [আশুরার] এদিন যে দিন আলে জিয়াদ বিন আবিহা ও আলে মারওয়ান বিন হিকাম যারা ইমাম হুসাইনকে (আ.) হত্যার মাধ্যমে আনন্দ করেছিল,হে প্রভু আপনিই আপনার অভিসম্পাত ও কঠিন শাস্তিকে তাদের উপর কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে দাও।

হে প্রভু আমি আজকের এদিনে এই স্থানে ও জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে তাদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন ও জালিমদের উপর অভিসম্পাত ও শত্রুতা করি এবং আপনার নবী ও তাঁর আহলে বাইত (আ.)’র প্রতি ভালবাসার মাধ্যমে আপনার নৈকট্য প্রার্থনা করি ।

কীওয়ার্ড: