হযরত ফাতেমার (সা.আ.) ওফাত/শাহাদাত

মোহাম্মাদ ( সা:) ওফাতের মাত্র ৯০ দিনের মাথায় তিনি মারা যান। তার এই ম্রিত্যু স্বাভাবিক ছিলনা, তাকে হত্যা করা হয়েছিল। ইসলামের চার খলীফার জীবদ্দশায় মা ফাতেমা কে গর্ভবতী অবস্হায় হত্যা করা হয়েছিল।

ঘটনা টা যেভাবে হয় তা হল - মোহাম্মাদ ( সা:) এর ওফাতের পর হযরত আবু বকর ( রা:) খলীফা হয়।

আলী ( রা:) এর স্ত্রী ছিলেন মা ফাতেমা। হযরত আলী ( রা:) এর বিরূদ্ধে গ্রফতারী পরওয়ানা জারী করে হযরত আবুবকর। সেই গ্রেপ্তারী পরওয়ানা নিয়ে আলী (রা :) কে সৈন্যবাহিনী খুজতে বের হয়। আলী(রা:) এর বাড়ীতে গিয়ে সৈন্যরা মোটা কাঠের গুড়ি দিয়ে দরজায় জোরে আঘাত করে দরজার ওপাশে ছিলেন মা ফাতেমা। উন্মুখ কাঠের গুড়ি তার বুকের পাজর ও পেটে আঘাত হানে। দারিয়ে থেকে অ্যাবরশন শুরু হয় এবং প্রচন্ড যন্ত্রনায় তাঁর গর্ভজাত সন্তান নিহত হয়। আর সেই আঘাতে আহত হয়ে ৮৫ দিনের মাথায় মা ফাতেমা শাহাদাত বরণ করেণ।

এই হল ইসলামের চরিত্র। ইসলামে সবচেয়ে নেকীদার বান্দাদের একজন হবে হযরত আবু বকর (রা:) এবং আবুবকর (রা:) ছিল নবী (সা:) খুব কাছের এবং বিশ্বশ্ত লোক। হযরত আলী (রা:) কি এমন কাজ করেছিল যে মোহাম্মদ (সা:) এর ওফাতের মাত্র ৫ দিনের মাথায় তার মেয়ের জামাইয়ের বিরূদ্ধে গ্রেপ্তারী পরওয়ানা জারী করতে হবে? আর সেই সময় খলীফা উমর (রা:) ও জীবিত ছিল। ইসলামে প্রথম প্রকাশ্যে আযান দেওয়া হত হযরত ওমর (রা:) ইসলাম গ্রহনের পরে। সেই লোক জিবীত থাকতে এই ঘটনা অথচ তিনি এই ঘটনা নিয়ে কোন উচ্চ বাচ্চই করেনি।

এই চারজন খলীফার চরিত্র যদি এমন হয় তবে আমরা কেন ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করব? কেন আমরা ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলব??

প্রিথিবীতে যে কয়টা রাষ্ট্র (২৯ টা) ইসলামী রাষ্ট্র আছে কম করে হলেও ধর্মভিত্তিক আক্রোশে প্রতিদিন খুন হচ্ছে, আরো স্পেসেফিকলী বললে - ইসলামের আক্রোশে বা মুসলমানদের আক্রোশে প্রতিদিন মানুষ খুন হচ্ছে।

যেই লোকগুলার চোখের সামনে মোহাম্মদ (সা:) ইসলাম প্রচার করল সারাজীবন, উত্থান পতণের কত স্ম্রিতি। কত কষ্ট সুখের স্ম্রিতি। নিজের মেয়েকে এই এক খলীফার সাথে বিয়েও দিয়ে গেছে নবী (সা:)...অথচ এই এদেরই ক্ষমতার লোভের স্বীকার স্বয়ং নবী (সা:) এর কন্য।

অনেক দেশের লোকজন মা ফাতেমাকে নিয়ে এইটা বলে ঐটা বলে তার জন্মদিন পালন করে, জন্মদিনকে এই দিবস ঐ দিবস মানে। কিন্তু ওনার ম্রিত্যু নিয়ে একজনও কথা বলেনা। কেন বলেনা?? কাড়ন তাহলে তো আর বলার কিছু থাকেনা .....মুখ থাকেনা।