হোসাইন ইবনে আলীর সংক্ষিপ্ত পরিচয়

আল-হোসেইন ইবন আলী ইবন আবি তালিব (হুসেইন বানানও প্রচলিত)

(আরবি: الحُسين بن علي بن أبي طالب‎‎) (১১ অথবা ১৩ জানুয়ারি ৬২৬ খ্রি. - ১৩ অক্টোবর ৬৮০ খ্রি. ) (৩ / ৫ শাবান ৪ হি. - ১০ মুহাররম ৬১ হি.) ছিলেন ইসলামের খোলাফায়ে রাশিদীন-এর সর্বশেষ খলিফা ও প্রথম শিয়া ইমাম আলী ইবন আবি তালিব এবং প্রবর্তক নবী মুহাম্মদের কন্যা ফাতিমা জাহরা-এর পুত্র ও হাসান ইবন আলী-এর কনিষ্ঠ ভ্রাতা। হোসেইন ইমাম হিসেবে ও আহল আল-বায়াত বা নবী মুহাম্মদের পরিবারের সদস্য এবং আহল আল-কিসা -এর সদস্য হিসেবে ইসলামের একজন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।

হোসেইন এবং খোলাফায়ে রাশিদীন

ইমাম হোসাইন ইয়াজিদের বাইয়্যাত গ্রহণের প্রস্তাব অস্বীকার করে আপনজনদের কাছে ফিরে আসলেন এবং সবাইকে একত্রিত করে বললেন, আমার প্রিয়জনেরা! যদি আমি পবিত্র মদীনা শহরে অবস্থান করি, এরা আমাকে ইয়াযীদের বাইয়াত করার জন্য বাধ্য করবে, কিন্তু আমি কখনও বাইয়াত গ্রহণ করতে পারবো না। তারা বাধ্য করলে নিশ্চয়ই যুদ্ধ হবে, ফাসাদ হবে; কিন্তু আমি চাইনা আমার কারণে মদীনা শরীফে লড়াই বা ফাসাদ হোক। আমার মতে, এটাই সমীচীন হবে যে, এখান থেকে হিজরত করে মক্কা শরীফে চলে যাওয়া। নিজের আপনজনেরা বললেন, —আপনি আমাদের অভিভাবক; আমাদেরকে যা হুকুম করবেন তাই মেনে নেব।' অতঃপর তিনি মদীনা শরীফ থেকে হিজরত করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তথন তিনি নবী মুহাম্মাদের রওযায় উপস্থিত হয়ে বিদায়ী সালাম পেশ করলেন এবং আত্মীয়-পরিজন সহকারে মদীনা থেকে হিজরত করে মক্কায় চলে গেলেন। হেরেম শরীফের সীমানায় অবস্থান করে স্রষ্টার ইবাদত বন্দেগীতে বাকী জীবন কাটিয়ে দিবেন - এই ছিলো তার মনোবাসনা।

মৃত্যুর ফলাফল

হুসাইন (রাঃ) এর মৃত্যুর ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী তাঁর মৃত্যুর পরেই শিয়ারা রাজনৈতিকভাবে আত্নপ্রকাশ করে।

পরিবার

হুসাইন (আ.) এর সন্তানাদি: ১.জয়নাল আবেদীন ইবনে হুসাইন ২.উমর ইবনে হুসাইন ৩.আলি আল আসগার ইবনে হুসাইন ৪.আবু বকর ইবনে হুসাইন ৫.সাকিনাহ বিনতে হুসাইন ৬.সুকায়না বিনতে হুসাইন ৭.ফাতিমা আল সুঘরা ৮ফাতিমা বিনতে হুসাইন ৯.উমমে কুলসুম বিনতে হুসাইন ১০.যাইনাব বিনতে হুসাইন